স্বাস্থ্য
চুলের যত্নে তেলের বিকল্প নাই
নরম রেশমের মতো চুল, অকালে টাক পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ ও চুলের পাক ধরা ঠেকাতে কে না চান! কিন্তু চাওয়ার সঙ্গে কাজ আর মেলে কই? চুলের যত্ন নিতে বসলে প্রথমেই যে জিনিসটা আমরা আজকাল বাদ দিই, আদতে তাতেই লুকিয়ে আছে সমাধান। তেল। বাস্তবিক পক্ষেই চুলের নানা সমস্যার দাওয়াই বিভিন্ন তেল।
শুষ্ক চুলে প্রাণ ফেরানো থেকে শুরু করে চুল পড়া রোধ, সবেতেই তেলের আলাদা মুনশিয়ানা রয়েছে। এমনকি আপনার চুলের প্রকৃতি তৈলাক্ত হলেও তার যত্নের জন্যও রয়েছে তেলের দাওয়াই। কেমন চুলে কোন তেল প্রয়োজন সেটা জেনে প্রয়োগ করাই আসল কথা। তাই চুলের নানা সমস্যা মেটাতে আস্থা রাখুন তেলে।
জানেন কি কোন তেল কী ভাবে মাখলে উপকার মিলবে? রূপবিশেষজ্ঞ রূপসা সরকারের মতে, ‘‘তেল মালিশে চুলের পুষ্টি যেমন বাড়ে, তেমনই চুলের গোড়াও শক্ত হয়। কখন কোন তেল কী ভাবে মাখবেন আর কখন মাখবেন, এতেই লুকিয়ে সব সমাধান।’’
- চুলের যত্নে নারকেল তেলের বিকল্প নেই। এর ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে কন্ডিশনিং করে। অল্প নারকেল তেল গরম করে মাথার ত্বকে ভাল করে মাসাজ করুন। কিছু ক্ষণ রেখে কম ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। এত চুল নরম হবে ও চুলের গোড়া প্রয়োজনীয় ফ্যাটটুকু পাবে।
- খুশকির সমস্যা থাকলে হোহোবা অয়েলও খুব উপকারি। দু’-তিন ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন হোহোবার সঙ্গে। এর পর তা মাথার ত্বকে মাসাজ করুন। খুশকি ও মরামাসের সমস্যা কমতে বাধ্য।
- পার্টি বা নিমন্ত্রণ আছে বিকেলে? ,সকালে শ্যাম্পুর পর এক টেবল চামচ অলিভ অয়েল মেখে নিন চুলে। তার পর ফের ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন চুল। তেলতেলে তো নয়ই বরং চকচকে চুল এ বার আপনার হাতের মুঠোয়।
- ক্যাস্টর অয়েলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। চুল পড়া কমানোতে তাই খুব কার্যকর। এর ভিটামিন ই চুলকে পুষ্টি দেয়। অল্প নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে নিন। চুলে লাগিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন।



