কেবল রাজনীতি নয়, দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে মোহামেডানকে বিশ্বমানে নিতে চাই: এম এ সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনীতি ও ব্যবসার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এম এ সালাম। ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক হিসেবে তিনি ক্লাবটির আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমানে উন্নীত করার এক উচ্চাভিলাষী ‘মাস্টার প্ল্যান’ তুলে ধরেছেন। সম্প্রতিএক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাঁর এই পরিকল্পনার কথা উঠে আসে।
এম এ সালাম বলেন, “মোহামেডান কেবল একটি ক্লাব নয়, এটি আমাদের আবেগ। এই ক্লাবের ঐতিহ্য অনেক গভীর। আমার লক্ষ্য হলো মতিঝিলে ক্লাবের নিজস্ব জমিতে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে ক্লাবটিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা।” ক্রীড়া ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বাড়ানোর লক্ষে তিনি সাভারে ক্লাবের নিজস্ব ৭৫ বিঘা জমিতে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম এবং আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল একাডেমি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক একাডেমি ও উন্নত প্রশিক্ষণ পেলে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি সম্ভব।
পেশাদারিত্বের এই চেতনা থেকেই তিনি তাঁর ছেলেকে স্পেনের বিখ্যাত বার্সেলোনা ফুটবল একাডেমিতে ভর্তি করিয়েছেন, যে বর্তমানে সেখানে বয়সভিত্তিক লিগে খেলছে। সালাম বলেন, “আমার নিজের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ না হলেও, আমি চাই আমার সন্তান এবং দেশের নতুন প্রজন্ম বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করুক।”
দীর্ঘ ৪২ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে তিনি ২০ জুলাই ২০২৪-এর বিভীষিকাময় রাতে গ্রেফতার এবং অমানবিক রিমান্ডের স্মৃতিচারণ করেন। রিমান্ডের অকথ্য নির্যাতন সহ্য করেও তিনি তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। আন্তর্জাতিক ৭টি ভাষায় পারদর্শী এই নেতা তাঁর অভিজ্ঞতাকে কেবল রাজনীতি বা ব্যবসায় নয়, বরং ক্রীড়া কূটনীতিতেও কাজে লাগাতে চান।
সবশেষে তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন অপরিহার্য। দক্ষ খেলোয়াড় ও শক্তিশালী ক্রীড়া কাঠামো তৈরির মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।



